দিল্লিতে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, একটি বিদেশি রাজধানীতে দাঁড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেওয়া কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। বিএনপি বলেছে, বিদেশে বসে দেশের রাজনীতি নিয়ে এমন বক্তব্য প্রমাণ করে সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ নয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দলটির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে দেশের জনগণের মাধ্যমে, কোনো বিদেশি মঞ্চে দেওয়া বক্তব্যে নয়।”
জাতীয় পার্টি ও কয়েকটি যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলও একই সুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এই ধরনের বক্তব্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করবে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তারা দাবি করেছে, সরকারের আচরণে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, যখন দেশে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য পরিস্থিতিকে শান্ত করার বদলে আরও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। তারা অবিলম্বে রাজনৈতিক সংলাপ ও গণতান্ত্রিক পথেই সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
তবে সরকারি মহল এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে এবং এতে দেশের নিরাপত্তা বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রশ্ন নেই।
এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে, যা আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ সৃষ্টি করতে পারে।
গণতন্ত্রে উত্তরণ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, বিরোধী দলের তীব্র প্রতিক্রিয়া
দিল্লি থেকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। তারা বলছে, বিদেশি মঞ্চে দাঁড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে এমন বক্তব্য রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব, কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বক্তব্যের পরপরই বিএনপি একে ‘উদ্বেগজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র জনগণের। দলের এক সিনিয়র নেতা বলেন, “বিদেশে বসে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ব্যাখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে সরকার জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করছে।”
জাতীয় পার্টি ও যুগপৎ আন্দোলনে থাকা কয়েকটি দলও একই সুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এই ধরনের বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে। তাদের অভিযোগ, এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যখন দেশ একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের দাবি নিয়ে উত্তপ্ত, তখন বিদেশি রাজধানীতে দেওয়া এমন বক্তব্য পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যেই দেওয়া হয়েছে এবং এতে গণতন্ত্র বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার প্রশ্ন নেই।
এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত থাকায় আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

