রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হাদির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্নের পর  সকালে মরদেহটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। শরীরের একাধিক স্থানে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, গুলির দূরত্ব ও ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঘটনার বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় হাদি একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের তৎপরতা

ঘটনার পরপরই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিহতের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্বশত্রুতা বা ব্যক্তিগত বিরোধ থাকতে পারে।

এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

পরিবারের দাবি

নিহত হাদির পরিবারের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা বলেন, “আমরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Share.
Leave A Reply