যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একটি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তাঁর জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার পরও বড় অংশে নিজের সরকারের কর্মসম্পাদন ও সাফল্যই তুলে ধরলেন এবং নতুন বা বাস্তব নীতি-ঘোষণা কমই করেছেন — বরং বিরোধী দল/democrats ও আগের প্রশাসনের ওপর দায় চাপান।
🇺🇸 ভাষণের মূল দিকগুলো
1. স্ব-প্রশংসা ও নিজ অর্জনের উপর জোর
ট্রাম্প ভাষণে তার প্রশাসনের সাফল্যগুলো—উদাঃ
• সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ কমানো
• কিছু পণ্যের দাম কমানোর চেষ্টা
• বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—
এইসব উল্লেখ করেছেন, এবং একাডেমিকভাবে বা বাস্তবে নতুন বড় নীতিমালা ঘোষণা করেননি।
2. বিরোধী দল ও পূর্ব প্রশাসনের দায় চাপানো
তিনি দামবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উদ্বেগের জন্য আমেরিকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন।
3. নতুন প্রস্তাব (সীমিত)
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে তাঁর প্রশাসন প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার সেনা সদস্যকে ১,৭৭৬ ডলার করে ‘ওয়ারিয়র ডিভিডেন্ড’ দিতে চায়, অথচ এটি বাস্তবে কার্যকর করার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
4. গুরুত্বপূর্ণ নীতি-ঘোষণার অভাব
সফল অর্থনৈতিক নীতি বা নতুন পরিকল্পনার বদলে — বক্তৃতায় বেশিরভাগই আত্মপ্রশংসা, গত অর্জনগুলোতে পুনরায় ফোকাস এবং রাজনৈতিক দায় চাপানো ছিল মূল উদ্দেশ্য।
—
📉 জনপ্রিয়তার অবস্থা
বর্তমান সময়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে এবং বিশেষত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জনমতের অনুকূল প্রবণতা কমে এসেছে:
• সাম্প্রতিক একটি Reuters/Ipsos জরিপে তাঁর অনুমোদন রেট মাত্র ~৩৯%, অর্থনীতি পরিচালনার বিস্তারিত অনুমোদন আরও কম (~৩৩%)।
এ কারণে বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে এই জাতির উদ্দেশে ভাষণটি রাজনৈতিকভাবে নিজেকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে, নতুন নীতির বিপরীতে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে।

