আজ রায় পড়া হবে: ৩ প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা-জয়-পুতুলসহ ২৩ বা ৪৭ জনের বিরুদ্ধে

ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২৫ – ঢাকার বিশেষ জজ কোর্ট আজ (বৃহস্পতিবার) ৩টি দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করবে, যার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে Sajeeb Wazed Joy ও কন্যা Saima Wazed Putul।

🔹 মামলার পটভূমি

এই তিনটি মামলা করা হয়েছে দিয়ে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে, যেখানে বলা হচ্ছে — রাজউক (RAJUK)-র পূর্বাচল (Purbachal New Town Project) প্রকল্পের অধীনে, সরকারি প্লট বরাদ্দ নিতে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হাসিনা ও তার পরিবার কাঠামোগত নিয়ম উলঙ্গে — তারা পূর্বে ঢাকায় তাদের নিজস্ব বাড়ি বা প্লট থাকলেও, ফরমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করেছিলেন। পরে তারা মোট ছয়টি ১০-কাঠার প্লট পেয়েছিলেন।

🔹 বিচার দিন ও পন্থা

২৩ নভেম্বর ২০২৫ — ঢাকা বিশেষ জজ কোর্ট-৫, বিচারক Mohammad Abdullah Al Mamun, অভিযোগ–পক্ষ ও প্রতিপক্ষের যুক্তি শোনা শেষ করেন এবং ২৭ নভেম্বর রায় দেওয়ার দিন ঘোষণা করেন।

মামলায় মোট ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

🔹 অভিযোগ ও শাস্তি দাবি

রাষ্ট্রদ্রোহী সংস্থার হিসাবে, অভিযোগগুলো করা হয়েছে “ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারি সম্পদ দুর্নীতির” মধ্যে।

আসামীদের বিরুদ্ধে দণ্ড হিসেবে সর্বোচ্চ ‘জীবন কারাদণ্ড’ দাবি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC)।

🔹 আজকের রায় — প্রত্যাশা ও প্রভাব

আজ (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১:০০ টায় রায় ঘোষণার জন্য ধরা হয়েছে।

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তাহলে রাজনৈতিক এবং সামাজিক পর্যায়ে এটি এক বড় ধাপে পরিণত হবে। বিশেষ করে, মামলাগুলোর গুরুত্ব ও সরবরাহিত প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে — verdict দেশের রাজনীতিতে এক প্রবল সাড়া ফেলতে পারে।

আজ ঢাকায় কোর্টের রায় ঘোষণা মানে — ২০২৫ সালের ‍পূর্বাচল/রাজউক প্লট স্ক্যাম মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তার ছেলে ও মেয়ে–সহ প্রধান আসামিদের ভাগ্য নির্ধারিত হতে যাচ্ছে। ACC সর্বোচ্চ শাস্তি চান, এবং মামলার প্রমাণ-সাক্ষীর পরিপ্রেক্ষিতে রায়কে গুরুত্ব দিচ্ছে অনেকেই।

📍 আদালতে পরিস্থিতি

Dhaka Special Judge Court-5–তে আজ (২৭ নভেম্বর ২০২৫) বিকেল ১১:০০ টায় রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।

বিচারক Mohammad Abdullah Al Mamun ২৩ নভেম্বরই রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছিলেন।

মামলার প্রসিকিউটর (from Anti-Corruption Commission — ACC) মির আহমেদ আলি সালাম বলেছেন, তারা সব আসামিই দোষী সাব্যস্ত এবং সর্বোচ্চ শাস্তি — যাবজ্জীবন কারাদণ্ড — চান।

🔐 নিরাপত্তা ও আদালতের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ

রায় ঘোষণার আগে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিচারক কোর্টের চারপাশে Border Guard Bangladesh (BGB) ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান দেখা গেছে।

প্রশাসন জানিয়েছেন, আদালত-কেন্দ্রিক কোনো বিশৃঙ্খলা বা বিশাল জনসমাগম এড়াতে পূর্বহাই ঘোষণা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

⚖ মামলার পটভূমি ও নানান তথ্য

এই তিনটি মামলায় মোট ২৩ (কিছু রিপোর্টে ৪৭ পর্যন্ত বলা হচ্ছে) জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। প্রধান আসামি — সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina, তার ছেলে Sajeeb Wazed Joy ও মেয়ে Saima Wazed Putul।

অভিযোগ হলো — তারা রাজউক-র পূর্বাচল (Purbachal New Town Project) এর ১০-কাঠার (একাধিক) সরকারি প্লট নিয়েছেন যদিও তারা নির্দেশিত যোগ্যতা পূরণ করেনি। এর জন্য তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করেছিলেন।

মামলায় ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য রেকর্ড হয়েছে।

📆 আজকের দিন: রায়ের গুরুত্ব

২৩ নভেম্বর মামলায় যুক্তি উপস্থাপনা শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রমাণ (দলিল, গোপন তথ্য, সাক্ষী) উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি প্রসিকিউটর করেছেন।

রায়ের সম্ভাব্য মাত্রা বড় — যদি আদালত প্রসিকিউশনের যুক্তি গ্রহণ করে। মামলাগুলোর প্রভাব শুধু রাজনৈতিক নয়, আইনগত ও সামাজিক দিক থেকেও থাকবে।

🧭 সার্বিক বিশ্লেষণ

আজকের রায় একটি অত্যন্ত সঙ্কটজনক মুহূর্ত। আদালত এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রায় ঘোষণার আগে নিরাপত্তা জোরদার করেছে — যা নির্দেশ করে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেষ্ট। বিচারক এবং আদালতের পরিবেশ খুবই ‘গুরুতর’ ও ‘সংবেদনশীল’।

প্রসিকিউটর যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায়, এবং মামলায় প্রমাণ হিসেবে এগুলোরই গুরুত্ব দিক — তবে আসামিপক্ষ অনুপস্থিতি ও অনেকে পালিয়ে রয়েছে। এর অর্থ — রায় হয়তো আসামিদের অনুপস্থিতিতেই ঘোষিত হতে পারে।

যেকোনো রায় হলে — সেটা দেশের রাজনীতি, আইন-ব্যবস্থা এবং জনগণের মানসিকতার ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। আজকের দিন তাই শুধু একটি আদালত ও রায় নয় — বড় মাপের “আইনি ও রাজনৈতিক মাইলস্টোন” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

Share.
Leave A Reply