শেখ হাসিনা ও পরিবারের বিরুদ্ধে রাজউক প্লট বরাদ্দ মামলাসমূহ — সারমর্ম (২৩ নম্বর: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ অবধি পাওয়া তথ্য)
১) কিসের মামলা (সংক্ষিপ্ত)
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর পূর্বাচল/পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে সরকারি প্লট (১০ কাঠা/অন্যান্য) বরাদ্দের ক্ষেত্রে অনিয়ম/জালিয়াতির অভিযোগে দুদক/অন্য তদন্তকারীরা পৃথক কয়েকটি মামলা (মোট তিনটি প্রধান কেস হিসেবে সংবাদে বলা হয়েছে) দায়ের করেছেন। মামলাগুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবারের সদস্য এবং আরও অনেকে আসামি হিসেবে নামভূক্ত।
২) রায় ঘোষণার তারিখ
অদালত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে রায় ঘোষণা করার জন্য ২৭ নভেম্বর ২০২৫ দিন ধার্য করেছেন—তিনটি পৃথক মামলার রায় একই দিনে (২৭ নভেম্বর) ঘোষণার ব্যপারে সংবাদ নিশ্চিত করেছে।
৩) মামলার সংখ্য ও আসামিদের সংখ্যা (সূত্রভেদের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা)
আলাদা আলাদা সংবাদসূত্রে সংখ্যা ভিন্নভাবে রিপোর্ট করেছে: কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে ১২ জন (শেখ হাসিনা সহ এক কেসে), আর অন্য রিপোর্টে বলা হয়েছে একত্রে ৪৭ জন বা ১৭/১৮ জন বিভিন্ন কেস মিলিয়ে। তাই একক, তালিকাবদ্ধ “১২ জন” এবং “১৭/৪৭ জন” — উভয় সূত্রই প্রকাশ্যে এসেছে; পত্রিকাগুলো আলাদা আলাদা কেস বা চার্জশিট-সংখ্যা তুলে ধরছে। (সংক্ষেপে: মামলাগুলো পৃথকভাবে দায়ের হওয়ায় মোট আসামির সংখ্যা ও কেস-বিবরণে সংবাদ প্রতিবেদনে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে)।
৪) প্রধান যাদের নাম সংবাদে বিশেষভাবে এসেছে
প্রধানভাবে যেসব নাম সংবাদে বারবার এসেছে — তারা হলেন:
শেখ হাসিনা (সাবেক প্রধানমন্ত্রী),
সজীব ওয়াজেদ জয় (তার ছেলে),
সায়িমা ওয়াজেদ (পুতুল) (তার কন্যা)।
কিছু রিপোর্টে শেখ রেহানা ও তার কন্যাসহ নামের উল্লেখও পাওয়া গেছে; তার পাশাপাশি বিদেশে পরিচিত ব্যক্তি (উদাহরণ: টিউলিপ/টিউলিপ সিদ্দিক নামের আলাপ-উল্লেখ) সম্পর্কেও আন্তর্জাতিক সংবাদে আলাদা দাবি দেখা গেছে — তবে নির্দিষ্ট আদালতিপত্রে পুরোই যাচাই করা নামপঞ্জি এখনও প্রকাশ্যে (সরকারি/আদালত ওসি ইত্যাদি নথিতে) পাওয়া যায়নি।
> গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতা: কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদ (যেমন Financial Times)-এ টিউলিপ সিদ্দিক-সম্পর্কিত দাবি আছে — কিন্তু স্থানীয় আদালত-চার্জশিট/আদালত নথি না দেখা পর্যন্ত প্রত্যেক আন্তর্জাতিক দাবি অনানুষ্ঠানিক বর্ণনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
৫) অভিযোগের সারমর্ম (অভিযোগপত্রে যা বলা হয়েছে — সংবাদ থেকে)
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে: ক্ষমতার অপব্যবহার করে (সরকারে থাকা অবস্থায়) পারিবারিক/স্বজনদের জন্য পূর্বাচল প্রকল্পে সরকারি প্লট অসদভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে; নির্দিষ্টভাবে ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নং রাস্তার ৬টি প্লট ইত্যাদি প্রসঙ্গ উঠেছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে এবং প্রসিকিউশন যুক্তি-তথ্য উপস্থাপন করেছে।
৬) কী ভিন্ন ভিন্ন কেস আছে (সংক্ষিপ্ত তালিকা)
সংবাদ অনুযায়ী অন্তত তিনটি পৃথক মামলা আছে (কোনো কেসে ৮/১২ জন — অন্য কেসে ১৫/১৭/৪৭ জন ইত্যাদি উল্লেখ) — প্রত্যেক কেস আলাদা তদন্ত ও চার্জশিটের ফল: আদালত তিনটি কেসের রায় ২৭ নভেম্বর একদিনেই ঘোষিত করবে বলেছে।
৭) সীমাবদ্ধতা ও যাচাই-নোট
1. আমি যা-ই উপস্থাপন করছি তা সংবাদসংকলন—সরকারি আদালতী চার্জশিট/সিদ্ধ নথি (PDF/scan) সরাসরি আমি এখনই অফিসিয়াল রেকর্ড থেকে ডাউনলোড করিনি (অর্থাৎ, সর্বপ্রথমিক কাগজ-কপি বা আদালত-ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া স্ক্যান কপি আমি সরাসরি দেখাইনি)। সংবাদ-সংগ্রহে কিছু সংখ্যাগত অসামঞ্জস্য আছে (১২/১৭/৪৭ ইত্যাদি)।
2. আন্তর্জাতিক সংবাদে (FT ইত্যাদি) ব্যক্তিগত নামের উল্লেখ থাকতে পারে; স্থানীয় চার্জশিট-নথি না দেখে তা চূড়ান্ত বিবেচনা করা ঠিক হবে না।

